কুওতেবাহ্ ফকরী দাওয়া
কুওতেবাহ্ ফকরী দাওয়া
এলাজে হালিলাহ নয় তাদের মেম, তোখমেপুরা দুদেম, বিখচিতা বাইশের ডেম, ভাঙ্গড়া শাটদেরেম, পুরাতন গুড় আড়াই এর। এ দাওয়ায় কুটে চেকে গুড়ের সাথে মিশ্রিত করবে শত শত বটিকা। এক বৎসব পূর্ণকাল
এক করে বটিকা শান্তিতে গরম দুগ্ধ পান করার শক্তি সাত করে যদি এক বৎসর পূর্ণ ব্যবহার করে, মহাপরী ফকির শাহ্ বৃহৎ ফলার বলেন, শক্তি কোন রোগ হবে না এবং বার বারটি এমটি গুণ লাভ করবে, তা শ্রব চক্ষুর থানের পূর্ণ ব্যবহার করবে। । এ পড়ি সেবনে মানুষ হৃষ্টপুর হয় সিংহের মত বলবান। তাই এ বড় সেবনের জন্য কোন অনুষ্ঠান কি অনুষ্ঠানটি দেখায় তা আবারও।
প্রথম আশা গ্লানি বিনষ্ট হয়। দ্বিতীয় মহোজ্জল অর্পণ প্রকাশও সকলের কাছে জানতে চাইলে তা দূর হয়। যেমন নতুন যৌবন কাল সুন্দর দেখা যায়, সেরূপ রূপলাবণ্য প্রকাশ। আপনার স্বপ্নদোষ, প্রমেহ, বিনাস্ত মনে হয় স্ফূর্তি জন্মাবে এবং কোন কর্মযজ্ঞ করতে কষ্ট হবে না। পঞ্চম মনোবৃত্তি ইন্দ্রিয় সকল সতে হয় এমন রতি শক্তি লাভ করবে, এমনকি এক রাত্রি বিজনতী রমণীরঞ্জনও শক্তি শক্তির অভাব হবে না। ষষ্ঠ পাক মস্তকের কেশতে থাকলে সে কেরাশি আরকবে না। সপ্তম অন্য মহোদয় অপূর্ণ বা দোয়ক থাকবে। অষ্টমতি মহি চক্ষুর জ্যয় এমন বৃদ্ধি হবে যে, বালকের ন্যায় দর্শন করবে। নরম আমাদের শক্তি বৃদ্ধি হবে, কোন কার্য সম্পাদন হবে না। ভাগম কোন কোন কার্যে ভুল-ভ্রান্ত থাকবে না; যা একবার শ্রবণ করবে তা বিস্মরণ করবে না, যে কোন পুস্তক পাঠ করবে তা সহজে মুখস্থ করতে পারবে। একাদশে উত্তীর্ণ ইন্দ্রিয় সতেজ হয় দেহ নবলে বলিয়ান। ভীরুদশ আশা এ জনতা সেবনকারী লোক দেখাতে কোন বীরপুরুষ বলে মনে করবে। তাই এ দাওয়া গুণগতমান-গরিমায় পূর্ণ এবং ব্যবহার করে ফল প্রকাশ করেছে।
ফল খরদ, ফল দারাজ, ডালচিনি, পেস্তা হালিলাহ, আনওয়ালাহ মকশার চিতা, জর আওন্দ, তোখমে বাবুনা, গোল বাবুলা, সালম মিছরি, মগজ চালগুরি, মগজ নারজবিলা। ভিন্ন ভিন্ন তারিখে এ সকল দ্রাব্য ফুটে মধুর সাথে মেড়ে কনুর আরোক দিয়ে একমাসা বড়ি করবে। আর পৃথক পৃথক একটি বড়ি গরম পানির সাথে মেড়েবন করবে; ঊনিশের বহুবিধ প্রযুক্তি প্রাপ্ত হবে।
মহাতপস্বী ফকির শাহ বুয়ালী কলন্দর বলেন, একুতেবাহ্ মহাশক্তি বৃদ্ধিকারক বড়ি সেবন করেও আইন যৌবন সুখ-সম্ভোগ করেছে এবং এর এতগুণ গুণ আছেঃ
১. পাত্তা পায়তা নাশ হয়, ২. হজম শক্তি বৃদ্ধি, ৩. সহস্ত্ত শক্তি প্রবল হয়, ৪. পুস্তক পাঠ মুখস্থ করার ক্ষমতা জন্মায়, ৫. হেকমত পদ্ধতি বৃদ্ধি বাড়ে, ৬. সার্দি বলগম নাশ হয়, ৭. গতীয় চর্মরোগ থাকে না, ৮. শরীর হৃষ্টপুষ্ট হয়, ১৯ ইন্দ্রিয় সতেজ হয়, ১০। বীর্য বেশি জন্মায়, ১১. প্রমেহজনিত বাত থাকে না, ১২. কোমর উত্তরের উত্তরীয় বাত নাশ হয়, ১৩. দত্ত শক্ত হওয়া যায়, ১৪, আইনগত জ্যোতি খোলে, ১৫। পথ বর্ণ গেহুর ন্যায় হয়ে যায়, ১৬. শক্তি বৃদ্ধি পায়, ১৭. রতি শক্তি এমন প্রবল হয় যে, বিনা নারী সহবাসে ভোগে না। এবং স্ত্রী সহবাস কোন কষ্ট বুঝতে হবে না।

